কেমন আছেন হারিয়ে যাওয়া রাজনীতিবিদ বাঁশখালীর সুক্কু মিয়া!

আরকানুল ইসলাম: মনে আছে? মনে পড়ে সেই সুক্কু মিয়াকে? কেমন আছেন তিনি? একনামেই যাকে সারা দেশবাসী চিনতো! বাঁশখালীর কৃতি সন্তান, খান বাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান, রাজনীতিবিদ বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের তদানীন্তন জাতীয় নির্বাচনে রাষ্ট্রপতি পদে “কুড়েঘর” প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অলিউল ইসলাম চৌধুরী। যাকে সুক্কু মিয়া নামেই লোকজন একনামে চেনে।

বাঁশখালীর হয়ে প্রথম কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। দলের নাম ‘বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি’।

তিনি বাঁশখালী থেকে প্রথম রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হয়েছিলেন। তখনকার একটি অঁজপাড়া গাঁ থেকে দেশের সর্বোচ্চ পদে প্রার্থী হওয়া চাট্টিখানি কথা ছিল না! লোকজনের মুখে মুখে সুক্কু মিয়ার নাম! ১৯৮৬ সালে ১ অক্টোবর বিটিভিতে সরাসরি ভাষণ দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে।

তারও আগে তিনি এক কাণ্ড করে বসেছিলেন! ১৯৭৮ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মেজর জিয়াউর রহমান সরকারি সফরে গিয়েছিলেন বাঁশখালী। এই সুক্কু মিয়া প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারি প্রটোকল ভেঙ্গে বৈলছড়িতে গাড়ি থেকে নামতে বাধ্য করেছিলেন! তা দেখে অনেকে হতবাক হয়েছিল তখন।
জিয়াউর রহমান বৈলছড়ি নজমুন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করে স্কুলের জন্য ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছিলেন। আর এই অবদান কেবলই এককভাবে সুক্কু মিয়ার!

খুবই সাদাসিধে জীবন যাপন করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় বসবাস করছেন। এখন খানিকটা বার্ধক্যজনিত কারণে অসুস্থ আছেন। তিনি ও তার পরিবার সকলের কাছে দোআ চেয়েছেন।

উল্লেখ্য, খানবাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরীর বড় ছেলে নুরুল ইসলাম চৌধুরী ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল মেম্বারের চেয়ারম্যান ছিলেন। তার ইমিডিয়েট ছোট অলিউল ইসলাম চৌধুরী সুক্কু মিয়া। তার ছোট ভাই বিশিষ্ট কলামিস্ট ও লেখক আহমদুল ইসলাম চৌধুরী। ছোট ভাই চট্টগ্রামের প্রথম সিটি মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী।
ইসলামী ঐক্যজোটের শীর্ষনেতা মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী তার চাচাত ভাই ও চট্টগ্রামের প্রথম মহিলা মন্ত্রী কামরুন নাহার জাফর তার চাচাত বোন।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.