স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে আঁতাতকারীদের বয়কট করুন: বাঁশখালীতে শাহরিয়ার কবির

বাঁশখালী টাইমস প্রতিবেদক: বাঁশখালীতে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির বাঁশখালী শাখার উদ্যোগে একাদশ জাতীয় সাংসদ নির্বাচন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অভিযাত্রায় বাঁশখালীতে জনসভা রবিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাঁশখালী বালিকা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। বিশিষ্ট রাজনীতিক ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির বাঁশখালীর প্রধান উপদেষ্টা আবদুল্লাহ কবির লিটনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা, লেখক, সাংবাদিক ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি শাহরিয়ার কবির। অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক ছিলেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা কাজী মুকুল। প্রধান বক্তা ছিলেন, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক ও কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক সাংবাদিক শওকত বাঙালী, বিশেষ অতিথি ছিলেন, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ডাঃ নুজহাত চৌধুরী শম্পা, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি লেয়াকত সিকদার, বিশিষ্ট যুবলীগ নেতা জাহেদ আকবর জেবুর সঞ্চালনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির বাঁশখালী শাখার সভাপতি এডভোকেট সাজ্জাদ হোসাইন তালুকদার। অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, জসীম উদ্দিন, পুকুরিয়া ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন, রণতোষ দাশ, কফিল উদ্দিন, বখতেয়ার উদ্দিন চৌধুরী করিম, রাশেদ আলী, খোরশেদ আলম পাশা, দিলুয়ারা বেগম সুমী, গাজী নুরীমন নূরী, আরিফুজ্জামান আরিফ, মোঃ সিরাজ, চৌধুরী নাজিম, জিহাদ উদ্দিন ফারুক, আনিসুল হক, হামিদ হোসেন, মোঃ হোসাইন, রওশনজ্জামান, ইমরান মাহমুদ চৌধুরী রোমন, ওমর ফারুক, শেখেরখীল আ’লীগ নেতা নুরুল ইসলাম, শ্রীমৎ কৃষ্ণানন্দ, জয় বড়ুয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, আগামী নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী কোন রাজনৈতিক নেতা যাতে জয়লাভ করতে না পারে সে ব্যাপারে যুব সমাজকে ভূমিকা রাখতে হবে। একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা নানাভাবে শেকড় গজিয়ে উঠার চেষ্টা করছে। তাদের শেখর উপড়ে ফেলতে হবে। বাঁশখালীতে ১১ সংখ্যালঘু হত্যাকারীরা কিভাবে জনপ্রতিনিধি হয়ে জনসম্মুখে ঘুরে বেড়ায় তা এখন জিজ্ঞাসা। তিনি বাঁশখালীতে কিভাবে জামায়াতের উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রকাশ্যে চলাফেরা করে ও জয়ী হয় তা এখন সাধারণ জনগণের প্রশ্ন হয়ে দাড়িয়েছে। একাত্তরের গণহত্যাকারীদের এদেশে কোন ভোধিকার থাকতে পারে না। তিনি আমার ভোট আমি দেব, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে দেব এই অঙ্গিকারে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.