বাঁশখালীর পর্যটন স্পট নিয়ে প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ‘অসাম ট্যুরিজম’

বাঁশখালী টাইমস: ভ্রমণপিপাসু মানুষের চাহিদা বিবেচনায় প্রথমবারের মত বাঁশখালীর পর্যটন স্পটগুলো নিয়ে প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ‘অসাম ট্যুরিজম’ কোম্পানী। এতে সহযোগিতায় থাকছে বাঁশখালী পর্যটন উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটি।

দিনব্যাপী প্যাকেজ ট্যুর নিম্নরূপ:

একদিনে উপভোগ করব বাঁশখালীর ৫টি দর্শনীয় স্থান:
১। বাঁশখালী ইকোপার্ক
২। দেশের দীর্ঘতম ঝুলন্ত সেতু
৩। চাঁদপুর-বেলগাও চা বাগান
৪। বাহারছড়া ও খানখানাবাদ সমুদ্র সৈকত
৫। ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী বখশী হামিদ মসজিদ

প্যাকেজের মধ্যে যা যা থাকবে:
১। যাওয়া আসা গাড়ি ভাড়া
২। সকালের নাস্তা
৩। দুপুরের খাবার
৪। বিকালের নাস্তা
৫। প্রবেশ টিকেট

প্যাকেজ মূল্য: ৫০০/ টাকা জনপ্রতি

যাত্রার তারিখ: ৩১ আগস্ট’১৮ শুক্রবার
সময়: সকাল ৭.০০ টায় বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল

**Awesome Discount Card ধারী মেম্বারদের জন্য নির্ধারিত ডিসকাউন্ট তো আছেই।

যেতে আগ্রহীরা আগামী ২৭ তারিখের মধ্যে 01910 831708 এই নাম্বারে বিকাশ করে অথবা সরাসরি অফিসে এসে প্যাকেজ মানি ৫০০/ টাকা জমা দিয়ে নিজ নিজ আসন নিশ্চিত করতে পারেন।

বাঁশখালী ইকোপার্ক

“বাঁশখালী” উপজেলায় ঘুরে বেড়াবার মত আছে অনেক কিছুই। তাদের মাঝে বাঁশখালী ইকো পার্ক অন্যতম।

বাঁশখালী ইকো পার্কে আছে “দেশের দীর্ঘতম/সর্ববৃহৎ ঝুলন্ত ব্রীজ”। বন্যপ্রাণী ও বনজসম্পদ রক্ষার্থে প্রায় ৭৭৬৪ হেক্টর বনভূমি নিয়ে ‘চুনতি অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করা হয়। সাথে বামের-ছড়া ও ডানের-ছড়া প্রকল্প দুটিও চুনতি অভয়ারণ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

“মায়াবী” ইকো পার্কের অন্তর্ভুক্ত একটি লেক, যা ছোট ছোট পাহাড়ে ঘেরা, দেখতে যেন বিশাল আকৃতির। এখানে আছে ৩১০ প্রজাতির উদ্ভিদ সহ অসংখ্য- অর্কিড, ইপিফাইট ও ঘাস জাতীয় গাছ। এই এলাকা গর্জন, গুটগুটিয়া, বৈলাম, সিভিট, চম্পাফুল এবং বিবিধ লতাগুল্ম সমৃদ্ধ চিরসবুজ বনাঞ্চলে ভরপুর।

এই অসাধারণ ইকোপার্কসহ বাঁশখালীর আরও চারটি দর্শনীয় স্থান দেখতে আমরা যাচ্ছি আগামী ৩১ আগস্ট শুক্রবার, যাওয়া আসা গাড়ি ভাড়া, সকাল বিকাল নাস্তা, দুপুরের খাবার, প্রবেশ টিকেট সব মিলিয়ে প্যাকেজ মূল্য জনপ্রতি ৫০০/ টাকা। আপনিও আমাদের সাথে যেতে চাইলে বুকিং মানি জমা দিয়ে এখনই আপনার আসনটি নিশ্চিত করতে যোগাযোগ করুন: 01910 831708.

বাঁশখালী চা বাগান

ভ্রমণকারীদের জন্য “বাঁশখালী” নামটি খুব একটা পরিচিত না। চট্টগ্রাম শহর থেকে খানিকটা দূরে বাঁশখালী উপজেলা। দেশের অন্যতম একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন অঞ্চল এই উপজেলা। যার উত্তরে শঙ্খনদী, দক্ষিণে পেকুয়া নদী, এবং পশ্চিম সীমান্তে বঙ্গোপসাগর সীমারেখায় অবস্থিত।

শতবছরের ঐতিহ্যের অংশ পুকুরিয়ার ইউনিয়নের এই “পুকুরিয়া চা-বাগান”। প্রায় ৩৫০০ হেক্টর জায়গা জুড়ে থরে থরে সাজানো এই চা-বাগান। এই বাগানে উৎপাদিত ক্লোন চা’র সুখ্যাতি বিশ্বব্যাপী। চা-বাগানের চা-গাছ লাগানো টিলাগুলোকে দেখলে মনে হবে সবুজ প্রান্তরে মাঝে সবুজ সবুজ টুপি। ৩ লক্ষ ২৫ হাজার কেজি পাতা উৎপাদনের লক্ষমাত্র নিয়ে এগিয়ে চলছে এই পুকুরিয়ার এই সুবিশাল চা-বাগান। অন্যান্য নাম- চাঁদপুর/বেলগাঁও চা-বাগান।

এই অসাধারণ চা বাগানসহ বাঁশখালীর আরও চারটি দর্শনীয় স্থান দেখতে আমরা যাচ্ছি আগামী ৩১ আগস্ট শুক্রবার, যাওয়া আসা গাড়ি ভাড়া, সকাল বিকাল নাস্তা, দুপুরের খাবার, প্রবেশ টিকেট সব মিলিয়ে প্যাকেজ মূল্য জনপ্রতি ৫০০/ টাকা। আপনিও আমাদের সাথে যেতে চাইলে বুকিং মানি জমা দিয়ে এখনই আপনার আসনটি নিশ্চিত করতে যোগাযোগ করুন: 01910 831708.

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.