বন্যহাতির উপদ্রব বন্ধে সাধনপুরে বিশাল মানববন্ধন

বাঁশখালী টাইমস প্রতিবেদক: বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়ন বন্যহাতির কবলে। দীর্ঘদিন থেকে হাতির ঠান্ডবে অনেকে হারিয়েছে বসতঘর, নষ্ট করেছে ক্ষেতের ফসল। ইতোমধ্যে অনেকে বাঁশখালীতে হাতির আক্রমনে হারিয়েছে তাদের স্বজন। এদিকে এলাকাবাসীর উদ্যোগে শুক্রবার (৩ আগষ্ট) দুপুরে বন্যহাতির আক্রমন রোধে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মানববন্ধন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাধনপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ চৌধুরী, বানীগ্ৰাম সাধনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি কে.এম সালাউদ্দিন কামাল, বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক আব্বাস উদ্দিন আহমদ, অগ্রণী ব্যাংক গুণাগরীর শাখা ব্যবস্থাপক মো. বেলাল উদ্দিন, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড গুণাগরী শাখার ব্যবস্থাপক মো. ইসমাইল, বাণীগ্ৰাম সাধনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক প্রকাশ কান্তি দে, আয়কর আইনজীবী লায়ন শেখর দত্ত, সাবেক ইউপি সদস্য ডা. এজাজ উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ নেতা শামসুদ্দিন। উপজেলা ছাত্রদল নেতা দিলদার এইচ রানা, মান্নান, সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মো. শাহজাহান, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তৌহিদুল ইসলাম, আবু হানিফ; চট্টগ্ৰাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রবিউল ইসলাম, শাহাদাত হোসেন প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন মো. রাশেদুল ইসলাম।

উপস্থিত বক্তারা বলেন, সাতকানিয়া পাহাড় থেকে প্রতিনিয়ত কয়েকটি বন্য হাতি রাতের আঁধারে গ্রামেগঞ্জে ঢুকে পড়ে। প্রতিদিন সন্ধ্যা নামলেই হাতিগুলো উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের পূর্ব সাধনপুর মৌলভী ঘোনা, পূর্ব বৈলগাও, বানীগ্রাম ও বৈলছড়ীর পূর্ব চেচুরিয়া, পুকুরিয়ার অধিকাংশ এলাকার বিভিন্ন গ্রামে খাবারের খোঁজ করে। সম্প্রতি হাতিগুলো বসতঘর, ফসলি জমি, ক্ষেত-খামার, বাড়ি-ঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা প্রতিদিন ক্ষয়ক্ষতি করছে। আমরা প্রতিদিন হাতির আক্রমণের ভয়ে ঘুমাতে পারিনা। সাধনপুরবাসী দীর্ঘদিন ধরে বন্যহাতি দ্বারা যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তা যেন দেখার কেউ নেই। তারা সাধারণ মানুষের জীবন জীবিকা নির্বাহে বন্যহাতির আক্রমণে অসুবিধার কথা উল্লেখ করেন। সমস্যা সমাধানে উপজেলা প্রশাসন ও বনবিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। তাছাড়া প্রশাসনের দীর্ঘ সূত্রিতার বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। খুব শিগ্রই তারা বন্যহাতির আক্রমণ রোধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। অন্যতায় সাধনপুরবাসী চরম বিপর্যয়ের শিকার হবে।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.