বিশ্বের চোখে তাক লাগানো এক বাংলাদেশ

বিশ্বের চোখে তাক লাগানো এক বাংলাদেশ

পৃথিবীজুড়ে শান্তি প্রতিষ্টায় নের্তৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ পর্যন্ত জাতিসংঘের ৬৮টি মিশনের মধ্যে ৫৪টিতে ১ লাখ ১৮ হাজার ৯৮৫ জন্য বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী সদস্য অংশগ্রহণ করেছে। শান্তিরক্ষী র্কাক্রমে এই মুর্হর্তে বাংলাদেশের সদস্য সংখ্যা ৮ হাজার ৯৩৬ জন। যা বিশ্বে যেকোনো দেশের তুলানায় সর্বোচ্চ।

এছাড়াও মানবাধিকার ও বিপন্ন মানুষের পাশে থাকার যে অনন্য দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্থাপন করেছেন তা বাংলাদেশকে বিশ্ব আসরে অনন্য মাত্রা দিয়েছে। প্রায় ১১ লক্ষ শরনার্থী আশ্রয় তিয়ে বিশ্বে এখন শরনার্থী ধারনের দিক বাংলাদেশ প্রথম স্থানে রয়েছে।

বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে অতি দ্রুত গতিতে। উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ইউরোপ সমপর্যায়ে যাবে বলে আশা করছেন অর্থনীতিবিদগণ। আর এ লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ২০৪১ সালকে টার্গেট করেছে।

বাংলাদেশের এই অভূতপূর্ব উন্নয়ন বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতি সূচকে ৪ থেকে ৭ গুণ বেড়েছে। বিগত ৩ বছর যাবত টানা প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের উপরে অব্যহত রয়েছে। এর অনন্য উদাহরণ বাংলাদেশের বাজেট। ১০ বছর আগে বাজেট হত মাত্র ৬৯ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা। যা বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা।

বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু গড় আয় ১ হাজার ৭৫২ মার্কিন ডলার। যা ২০০৬ সালে ছিল মাত্র ৪২৭ মার্কিন ডলার। সে সময় বাংলাদশে বিদেশী বিনিয়োগ হত ১৮৭ কোটি মার্কিন ডলার। যা বর্তমানে বেড়ে হয়েছে ২১৫ কোটি মার্কিন ডলার। শিশু মৃত্যুহারও কমেছে অনেক। ৬ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ২ শতাংশ। যার পেছনে অন্যতদম কারন ছিল মাতৃকালীন ছুটি বাড়ানো। যা ৪ মাস থেকে বাড়িয়ে ৬ মাস করা হয়েছে। ২০০৬ সালে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা বন্ধ করে দেয়া হয়। ২০১৩ সালে ১১ হাজার কমিউনিটি হাসপাতাল পুনঃচালু করা হয়।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে দেশ অর্জন করেছে অনন্য সাফল্য। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। যা আরও ১২ বছর আগে ছিল ৩ হাজার ১ শ মেগাওয়াট। ফলে বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎ সুবিধাপ্রাপ্ত শতকার ৯০ জন। একইভাবে বেড়েছে দৈনিক গাস উত্তোলনের হার। বর্তমানে দৈনিক ২ হাজার ৬শ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে।

সরকার সুনীল অর্থনীতিতে সফলতা অর্জনের প্রচেষ্ঠায় রয়েছে। ২০১৩ সালে সমুদ্রসীমা জয় করেছে ১ লাখ১১ হাজার ৬৩১ বর্গ কিলোমিটার। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম । বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৩৬ বিলিয়ন ৬৬ মিলিয়ন ডলার। এছাড়াও বেড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমান। যা বেড়ে হয়েছে ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত ১০ বছরে ১০ হাজার হাসপাতাল বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৭৫৭টি। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সরকারের প্রচেষ্টায় অভূতপূর্ব সফলতা এসেছে। যার ফলে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬ কোটি ৭২ লক্ষ।

 

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.