বাঁশখালী সমুদ্র সৈকতকে পর্যটনকেন্দ্র ঘোষণার দাবিতে র‍্যালি

বাঁশখালী টাইমস: বাঁশখালী সমুদ্র সৈকতকে পর্যটনকেন্দ্র ও বাঁশখালীকে পর্যটন উপজেলা ঘোষণার দাবি দিন দিন জোরালো হচ্ছে। সে ধারাবাহিতায় আজ ৯ জুলাই বিকাল ৩ টায় বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত পয়েন্টে প্রচারণা র‍্যালী ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন বাঁশখালী উপজেলা শাখার উদ্যোগে এই প্রচারণা কর্মসূচিতে সংগঠনের শতাধিক সদস্যসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন বাঁশখালী উপজেলা শাখার সভাপতি আরিফুর রহমান সুজনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রচারণা কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী পর্যটন উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি লায়ন এম আইয়ুব, বাঁশখালী টাইমসের সম্পাদক আবু ওবাইদা আরাফাত এবং সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন বাঁশখালী উপজেলা শাখার বিভিন্ন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

এই কর্মসূচির দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করেন বাঁশখালী পর্যটন উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটি, বাঁশখালী সাহিত্য পরিষদ, বাঁশখালী সমিতি চট্টগ্রাম, স্থানীয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠন।

বাঁশখালী পর্যটন উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি লায়ন এম আইয়ুব তাঁর বক্তব্যে বলেন- ‘বাঁশখালী ভৌগলিকভাবে আল্লাহপ্রদত্ত দর্শনীয় উপজেলা। এর চতুর্দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নিয়ে বাঁশখালী উপজেলাকে পর্যটন উপজেলা হিসেবে ঘোষণা দিলে এর মাধ্যমে পর্যটন শিল্পের বিকাশ সম্ভব। বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার; স্থানীয় সংসদ সদস্যের চলমান উদ্যোগ অচিরেই আলোর মুখ দেখবে বলে আমাদের বিশ্বাস।’

সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন বাঁশখালী উপজেলা শাখার সভাপতি আরিফুর রহমান সুজন তাঁর বক্তব্যে বলেন- ‘একটি আদর্শ ও আকর্ষনীয় সমুদ্র সৈকতের সকল উপাদান এখানে বিরাজমান। লাল কাঁকড়া, বালুকাময় সৈকত, জোয়ার, ঝাউবাগান সব অনুসঙ্গ পর্যটকদের নজর কাড়ছে। এ সৈকতে যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা আজ সময়ের দাবি।’

বাঁশখালীর খানখানাবাদ, বাহারছড়া, গন্ডামারা ও ছনুয়া বঙ্গোপসাগর অংশে সারি সারি ঝাউবাগান যেকারোই নজর কাড়ে। সবচেয়ে বেশী লোকের আনাগোনা হয় বাহারছড়ার রত্নপুর ও কদমরসুল অংশে। বর্তমানে বাঁশখালীর উপকূলীয় এলাকায় বেড়িবাঁধ সংস্কারের কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে। এই বেড়িবাঁধ সংস্কারের পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকাকে পর্যটন স্পটে রূপান্তরিত করলে সরকার রাজস্ব সহ বহুমুখী লাভবান হবে এমনকি কক্সবাজারে যে পর্যটকদের চাপ তা থেকে চট্টগ্রামের পর্যটকরা বাঁশখালী অংশে এসে কক্সবাজারের স্বাদ নিতে পারবে। বাঁশখালীর উপকূলীয় সুদীর্ঘ ৩৭ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সমুদ্র সৈকত বিস্তৃত। সারি সারি ঝাউবাগান ও বিস্তৃর্ণ সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক হাওয়া উপভোগ করতে এখানে প্রতিনিয়ত পর্যকটদের আনাগোনা দেখা যায়।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.