বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রথম নারী ‘কান্ট্রি হেড’ হলেন বাঁশখালীর ডা. নাজনীন আনওয়ার

BanshkhaliTimes

আবু ওবাইদা আরাফাত, বাঁশখালী টাইমস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার (SEARO) দেশ মালদ্বীপের কান্ট্রি হেড (WR- WHO Representative) হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বাঁশখালীর কৃতিসন্তান ডা. নাজনীন আনওয়ার। ইতোপূর্বে তিনি WHO এর দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার রিজিওনাল এডভাইজার অন মেন্টাল হেলথ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ডা. নাজনীন আনওয়ার ২০১০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যাশনাল কনসালটেন্ট ও ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত টেকনিক্যাল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০১৩ সালে পাবলিক হেলথ বিষয়ে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী অর্জন করেন। শিক্ষাগত জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রী লাভ করেন (২০ তম ব্যাচ)।

তিনি ১৯৮৬ সালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে মেডিকেল অফিসার হিসবে কর্মজীবন শুরু করেন৷ ১৯৮৭ থেকে ৯০ সাল পর্যন্ত লেকচারার অব সাইকোলজি ও ১৯৯০ থেকে লেকচারার অব এনাটমি হিসেবে পাঠদান করেন। এছাড়াও ২০০১ সালে নিউট্রিশন ক্লিনিশিয়ান ও ২০০৭ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (গবেষণা ও উন্নয়ন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভিন্ন গুরু দায়িত্ব পালনকালে তিনি রেবিস ভ্যাকসিন, অটিজম, আত্মহত্যা প্রবণতা রোধ, মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশ ও পাবলিক হেলথ সেক্টরে অসমান্য দক্ষতা ও সফলতার স্বাক্ষর রাখেন।

বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. নাজনীন আনওয়ারের বাড়ি বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া ইউনিয়নের নাটমুড়া গ্রামে। তিনি বিশিষ্ট সমাজসেবী নাটমুড়া পুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, রেকিট বেনকিজারের প্রথম বাংলাদেশী কান্ট্রি হেড, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর মরহুম মাহবুব আলম আনওয়ারের মেয়ে।

You May Also Like

One thought on “বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রথম নারী ‘কান্ট্রি হেড’ হলেন বাঁশখালীর ডা. নাজনীন আনওয়ার

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.