বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ( Banshkhali Medical ) সরকারি টেলিমেডিসিন সেবা চালু

BanshkhaliTimes

বাঁশখালী টাইমস ডেস্ক: বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ( Banshkhali Medical ) সরকারি টেলিমেডিসিন সেবা চালু হলো। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রান্তিক মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য প্রথমে কমিউনিটি ক্লিনিক উপহার প্রদান করেন। প্রান্তিক জনগণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর আরো একটি উপহার হচ্ছে এই টেলিমেডিসিন সেবা যার প্রধান নিয়ন্ত্রক MIS. দেশের প্রায় ৯৪ টি সেন্টারে টেলিমেডিসিন সেবা প্রদান/গ্রহণ করার ব্যবস্থা আছে যার মধ্য বাঁশখালীও একটি।

দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে ভুগতে থাকা গরীব রোগী যারা শহরে গিয়ে প্রফেসর দেখানোর সামর্থ্য রাখেন না, তাঁরা চাইলেই টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে সেবা নিতে পারবে। বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজের সিনিয়র ডাক্তাররা এই সেবা প্রদান করে থাকেন। যে সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ( Banshkhali Medical ) কনসালটেন্ট পোস্টেড থাকেন না ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর রোগীদের টেলিমেডিসিন সেবার জন্য অন্য সেন্টার থেকে সেবা গ্রহণ করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন চর্মরোগ নিয়ে কষ্টে থাকা রোগীরা এই সেবা গ্রহণ করে উপকৃত হচ্ছেন। এর বাইরেও মেডিসিন, চক্ষু, নাক-কান-গলা, মানসিক রোগসহ আরো অনেক রোগের চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

সরকারি ছুটির দিন ব্যতিরেকে অন্য দিন বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ( Banshkhali Medical ) সরকারি এই সেবা প্রদান করা হয়। এই সেবা পেতে প্রথমেই বহিঃবিভাগে যোগাযোগ করে ৩ টাকা মূল্যের টিকেট নিতে হয়। তারপর সেটা নিয়ে বহিঃবিভাগের ডাক্তার দেখাতে হয়। ডাক্তার যদি মনে করেন আরো উচ্চতর সেন্টারে দেখানে দরকার তাহলে তিনি রোগীর প্রেসক্রিপশন এ রুম ৪৮ এ রেফার লিখে দিবেন। সেটা নিয়ে হাসপাতালের ২য় তলায় ৪৮ নাম্বার রুমে যোগাযোগ করে টেলিমেডিসিন অপারেটিং স্টাফ ফখরুদ্দিনকে জমা দিতে হয় বলে জানা যায়।

যদি চর্মরোগ, নাক কান গলা রোগের রোগী হতো তাহলে এনিভিউ ক্যামেরার মাধ্যমে আপনার উক্ত সমস্যার ছবি তোলা হবে এবং সেটি টেলিমেডিসিন সেবা প্রদানকারী প্রফেসরকে টেলিমেডিসিন রুমের ডিউটি ডাক্তার দেখাবেন। সমস্যার কথা ডাক্তারই উনাকে জানাবেন। প্রফেসর চিকিৎসা দিবেন। চর্মরোগ যদি এমন কোনো স্থানে হয় যা রোগী দেখাতে পারেন না তাহলে ভালো মোবাইলে ছবি তুলে আনতে পরামর্শ প্রদান করে।

প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে ১২টা। ১২টার পর কোন টেলিমেডিসিন সেন্টারে সেবার জন্য সিরিয়াল পাওয়া যায় না তাই সেবাও প্রদান করা হয়না। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে না এলে সেবা থেকে বঞ্চিত হতে হবে।

করোনার সময়ে উক্ত সেবা সাময়িক বন্ধ থাকলেও গত মাস থেকে আবার এই সেবা চালু হয়েছে। রোগীরা সেবা নিচ্ছে। উপকৃত হচ্ছে। সেবা গ্রহণকারী হাসপাতাল হিসেবে সারা দেশে এর অবস্থান অনেক উপরে।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.