বাঁশখালীতে ( Banshkhali ) হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি

বাঁশখালীতে ( Banshkhali ) হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

বাঁশখালীতে ( Banshkhali ) হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

মু. মিজান বিন তাহের: চট্টগ্রামের আনোয়ারা, বাঁশখালী ( Banshkhali ) ও চকরিয়া এলাকা জুড়ে হাতি দিয়ে চলছে ব্যাপক চাঁদাবাজি। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দপুর থেকে সন্ধা পযর্ন্ত শেখেরখীল ( Shekherkhil ) ও পুঁইছুড়ি ( Puichori ) ইউনিয়নের নাপোড়া ( Napora )  প্রধান সড়ক ও প্রেম বাজার- ছনুয়া সড়ক এলাকায় প্রতিটি দোকান ও চলাচলকারী যানবাহন হতে হাতির চাঁদাবাজীর দৃশ্য দেখা যায়। প্রতিটি গাড়ি থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে ১০ টাকা থেকে শুরু করে ১শ টাকা পর্যন্ত।

এভাবে বাঁশখালীর ( Banshkhali ) পুকুরিয়া ( Pukuria ),বানীগ্রাম ( Banigram ), গুনাগরি (Gunagori ), বৈলছড়ি ( Boilchori ), উপজেলা সদর, পৌরসভার মিয়ার বাজার (Miar Bazar ), দারোগা বাজার (Daruga Bazar ), মনছুরিয়া বাজার (Monsoriya Bazar ), টাইমবাজার ( Time Bazar ), চাম্বল বাজার ( Chambol Bazar ), নাপোড়া বাজার ( Napora Bazar ),পুইছড়ি প্রেমবাজার পযর্ন্ত বাঁশখালী ( Banshkhali ) পিএবি প্রধান সড়কে রাস্তায় গাড়ি দাড় করিয়ে এবং প্রতিটি দোকান থেকে ২০-১০০ টাকা পযর্ন্ত হাতিটি দিয়ে করছে ব্যাপক চাঁদাবাজি।

বাঁশখালীতে ( Banshkhali ) প্রতি বছরে কয়েকবার এভাবে হাতি দিয়ে একে বা কারা এ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন তা যেন দেখার কেউ নেই। প্রতিদিন কমপক্ষে ১০-২০ হাজার টাকা পযর্ন্ত পায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাঁশখালী ( Banshkhali ) জুড়ে হাতি দিয়ে এভাবে চাঁদাবাজি করেছে একটি চক্র । সম্প্রতি প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় হাতি নিয়ে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে চক্রের সদস্যরা। প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীন সড়কেও দেখা যাচ্ছে গাড়ি কিংবা, বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করছে হাতির মাহুত

এই চাঁদাবাজির কারনে অনেক সময় দেখা যায় প্রধান সড়কে তীব্র যানযট। প্রতিনিয়ত এসব ব্যবসা করে গেলে ও প্রশাসন নিরব। হাতির এ ব্যবসা যেন প্রতি কয়েকমাস অন্তর অন্তর বাঁশখালীজুড়ে দেখা যাচ্ছে।

ইতিমধ্যে এ ব্যবসা দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা, পশ্চিম পটিয়া,বাঁশখালী ( Banshkhali ), চকরিয়া, সাতকানিয়াসহ জুড়ে বিভিন্ন উপজেলায় এখন ব্যবসা টি ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এভাবে প্রকাশ্যে হাতি নিয়ে চাঁদাবাজীতে লিপ্ত হলেও কে বা কারা এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা তা এখনও প্রকাশ পায়নি। এদিকে এসব চাঁদাবাজী বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ।

 

Spread the love

Leave a Comment

Your email address will not be published.