বাঁশখালীতে ওমএসের ১০ টাকা কেজির চাল ফ্রি করে দিলেন এমপি মোস্তাফিজ

বাঁশখালীতে ওমএসের ১০ টাকা কেজির চাল ফ্রি করে দিলেন এমপি মোস্তাফিজ

মুহাম্মদ মিজান বিন তাহের: করোনাভাইরাসের কারণে বাঁশখালীতে অনেক মানুষের কাজ না থাকায় বেকার হয়ে পরেছেন। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে বাঁশখালী পৌরসভা এলাকায় ১০ টাকা কেজি দরের (ওএমএস) চাল বিনামুল্যে দিচ্ছেন চট্টগ্রাম -১৬ বাঁশখালী আসনের সাংসদ আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এমপি । বৃহস্পতিবার সকালে বাঁশখালী পৌরসভার মেয়র বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ সেলিমুল হক চৌধুরী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মনিরুজ্জমান দেওয়ানজী, পৌর কাউন্সিলর আজগর হোসেন, সরল ইউপি সদস্য রশিদ আহমদ, দৈনিক মানবকন্ঠের বাঁশখালী প্রতিনিধি মুহাম্মদ মিজান বিন তাহের, ছাত্রলীগ নেতা মারুফ প্রমূখ।

বাঁশখালীতে ওএমএস চাউল ফ্রি বিক্রিয় এর ব্যাপারে মেসার্স শাহ জালাল এন্টারপ্রাইজের প্রোপাইটর মাওলানা আক্তার হোসেন বলেন, বাঁশখালীর উন্নয়নের রুপকার মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর দিকনির্দেশনায় আমার ব্যবসায়ী প্রতিষ্টান থেকে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে জন প্রতি ৫কেজি করে ২শ’ জনের মাঝে ১ মে. টন চাল বিতরণ করি।

পৌর মেয়র শেখ সেলিমুল হক চৌধুরী দৈনিক মানবকন্ঠ কে বলেন, করোনা ভাইরাসের কারনে সরকার ইতিমধ্যে অসহায় পরিবারের পাশে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। অনেকেই একবার করে চালসহ অনান্য খাবার পেয়েছে, যারা একবারও কোন প্রকার খাবার পণ্য পায়নি তাদেরকে
মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এমপি নিজের তহবিল থেকে চাল ক্রয় করতে টাকা দিয়ে সহযোগিতা করছেন।
তিনি আরও জানান, আমার পৌর এলাকায় অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার রয়েছে। করোনা ভাইরাসের কারনে তারাও কঠিন সময় পার করছেন। মধ্যবিত্তদের ফোন পেলে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে গোপনীয়তার সহিত তাদের বাড়িতে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়ার কার্যক্রমও চলমান আছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মং স্রাই জানান, সপ্তাহে তিন দিন পর্যায়ক্রমে বাঁশখালী পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডে এ চাল বিতরণ কার্যক্রম চলমান থাকবে।
বৃহস্পতিবার পৌর এলাকার উত্তর জলদী মিয়ার বাজার ৪ নং ওয়ার্ডের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জন প্রতি ৫ কেজি করে ২শ’ জনের মাঝে ১ মে. টন এবং দারোগা বাজার এলাকায় ৯ ওয়ার্ডে জনপ্রতি ৫ কেজি করে ২শ জনের মাঝে ১ মে.টন। সর্বমোট ৪ জনের মাঝে ২ মে.ট চাল বিতরণ করা হয়।

মুহাম্মদ মিজান বিন তাহের # ০৯.০৪.২০২০

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Scroll to Top